OrdinaryITPostAd

বনলতা সেন কে ছিলেন

কবি জীবনানন্দ দাশ তার একটি কবিতাতে বনলতা সেন কে উল্লেখ করেছে । তখন থেকে সবার মনে প্রশ্ন বনলতা  কে , বাড়ি কোথায় , কি করে , এই নিয়ে সবার মনে অনেক প্রশ্ন জমে আছে । সবার মনে এক প্রশ্ন জমে আছে বনলতা সেনকে নিয়ে । 


ছবি



সুচিপত্রআজ আপনাদের জানাবো বনলতা সেন কে? চলুন জেনে নেওয়া যাক বনলতা সেন আসলে কে?

আরও পড়ুন ঃ নাটোর রানী ভবানী রাজবাড়ী

বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি পাওয়া

এই কবিতার জীবনানন্দ দাশ বলেছেন বনলতা সেনের বাড়ির নাটোর জেলায় অবস্থিত। তারপর থেকেই সাহিত্যের নাটোর জেলার নাম অন্যভাবে উঠে যায় বিশেষভাবে পরিচিতি পায় । বর্তমানে নাটোর জেলা বনলতা সেনের নাটোর বলেই সবাই চিনে । কিন্তু কবি নিজের মুখে কোনদিনও বলেনি সত্যি কি বনলতা সেনের বাসা নাটোরে অবস্থিত । কবি জীবনানন্দ দাশের এই কবিতার জন্যই নাটোর জেলা বাংলা  সাহিত্যের মধ্যে একটি অন্যরকম পরিচয় পেরেছে। 

আরো পড়ুন ঃ নাটোরের উত্তরে গণভবন

বিভিন্ন মানুষের মতামত

অনেকের মুখে অনেক রকম কথা শোনা যায় না বনলতা সেন আসলে কি কেউ তা জানে না । কেউ বলেনি বনলতা সেন নাটোর রাজবাড়ীর একটি দাসী । আবার কেউ বলেনি বনলতা সেন একজন শিক্ষিকা সে এখন বর্তমানে ভারতে বসবাস করে । আবার কেউ বলেন কবি একটা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল সেখানে একটি মেয়ে তার সেবা করেছিল । সে তখন তার ওপর মায়ায় পড়ে যায় এবং তাই কবিতায় বলেছিল দুদন্ড শান্তি দিয়েছে নাটোরের বনলতা সেন ।

আরো পড়ুন ঃ নাটোর জেলার বিভিন্ন তথ্য ও ইতিহাস

আবার অনেকে বলে নাটোর রাজবাড়িতে সুন্দরী সুন্দরী দাসী ছিল সেখানেই তার দাসীরা কবির সেবা করেছিল এবং তখনই একজন কে খুব ভালো লেগে যায় তাই কবিতায় তার নাম দেয় বনলতা সেন সত্যি নাম দেয় না । এজন্যই কবিতাতে বলেছিল সব পাখি ঘরে আসে বলতে বোঝানো হয়েছে কবি তো বিবাহিত ছিল তো সেও তার স্ত্রীর কাছে ফিরে এসেছিল । চারদিকে অন্ধকার এটা বোঝাতে সত্যিকারের অন্ধকার কে বোঝানো হয় না এটা মূলত কোভিদ স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও একটি মেয়েকে তার ভালো লাগে এজন্য এসে বলেছে চারদিকে অন্ধকার । 

গরমের সময় ত্বকের যত্ন

আবার কেউ কেউ বলে কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিধবা মহিলাকে পছন্দ হয়েছিল । তার প্রতি সে  মায়ায় পড়ে  গিয়েছিল । তার সাথে মাঝে মাঝে দেখা করতে যেত এর জন্য বলেছে 2 দন্ড শান্তি দিয়েছে নাটোরের বনলতা সেন । হয়তো অনেকদিন পর দেখা করতে গিয়েছিল এজন্য বনলতা সেন পাখির নীরের মতো চোখ তুলে বলেছিল । এতদিন কোথায় ছিলেন ?এটা মূলত সে অনেক অভিমান নিয়ে বলেছে এতদিন পর কেন এসেছেন ?

অনেকেই বলে সাধারণত এই কবিতায় কবি পরকীয়াকে এমন ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে যা কোন সাহিত্য বা কবিতায় এমন ভাবে ফোটাতে পারেনি । অন্য অন্য সব কবি সাহিত্যিক যারা আছে তারা সবাই এই বিষয়টা নিয়ে  অনেক ঘাটাঘাটি করেছে । নাটোর এলে এই বনলতা সেন কে বাড়ি কোথায় এই বিষয়টা খোঁজ করাই যেন তাদের প্রধান কাজ ছিল ।

আরো পড়ুনঃ শীতকালে ত্বকের যত্ন

কবি জীবনানন্দ দাশের মতামত

কবি জীবনানন্দ দাশ কে এই বনলতা সেনকে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি সবসময় এড়িয়ে যেতেন এবং মুচকি মুচকি হাসতেন । তবে কবি বলেছেন বনলতা সেন আসলে কেউ না এটি একটি কল্পনা । একবার নাটোরের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রেন না রোড স্টেশনে দাঁড় করিয়েছিল সন্ধ্যার সময়। আর সেই সময়কার পরিবেশটা কবির মনটা কেড়ে নিয়েছিল অনেক ভালো লেগেছিল ।

 সন্ধ্যার ব্রেক শেষের ট্রেন আবার ছুটে চলে যায় কবি ও এখান থেকে চলে যায় তাই কবিতার কবিতাকে বলেছেন দু'দন্ড শান্তি দিয়েছে নাটোরের বনলতা সেন । আসলে এখানে বনলতা সেন বলতে নাটোর কে বুঝিয়েছে কবি। বনলতা সেন আসলেই কোন মানুষ নয় এটি একটি কল্পনা মাত্র । নাটোর কি কবি এই কবিতার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছে বনলতা সেন নামের মধ্য দিয়ে ।

আমার মতামত

পরিশেষে এটাই বলা যায় যে যাই বলুক আসলেই বনলতা সেন বলতে কেউ নেই বনলতা সেন একটি কল্পনা মাত্র। নাটোর জেলাকে কবির অনেক ভালো লেগেছিল । খুব এজন্যই সে তার মনের মাধুর্য দিয়ে এমন একটা কবিতা লেখে । বনলতা সেন শুধুই একটা কল্পনা শুধু একটি কাল্পনিক কাহিনী আর কিছু না। আমাদের নাটোরের বনলতা সেন শুধুই কল্পনা।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪