উত্তরা গণভবন কোন জেলায় অবস্থিত
নাটোর জেলার বিভিন্ন তথ্য ও ইতিহাসউত্তরা গণভবন যার আর এক নাম দিঘা পতিয়া রাজ বাড়ি । উত্তরা গণভবন হল একটি দর্শনীয় স্থান । অনেক দূর দূর থেকে পর্যটক আসে দিঘা পতিয়া রাজ বাড়ি পরিদর্শন করতে ।আমি তো অনেক বার গেছি আপনি কি কখনো এসেছেন এখানে?
সূচিপত্র উত্তরা গনভন নাটোর জেলায় অবস্থিত ,নাটোর শহর থেকে ৩ কিলো মিটার দূরে অবস্থিত আমাদের উত্তরা গনভবন । আজ আমি আপনাদের জানাবো উত্তরা গনভবন কোথায় অবস্থিত , কয়টা পর্যন্ত খোলা থাকে , গনভবন সম্পর্কে এমন আরও অনেক তথ্য ।
ইতিহাস
উত্তরা গণভবনের নাম আগে উত্তরা গণভবন ছিল না ,১৯৪৭ সালে সরকার জমিদারী প্রথা বন্ধ করে দেওয়ার পর ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষ রাজা পরিবার নিয়ে দেশ ত্যাগ করে । ১৯৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্থান এটিকে সরকারি ভবন বানায় । ১৯৭২ সালে দিঘা পতিয়া রাজবাড়ীর নাম দেওয়া হয় উত্তরা গণভবন । ঢাকার বাহিরে এটি একটি সরকারি ভবন। প্রায় ৪২ একর জমির ওপর অবস্থিত এই রাজ বাড়ি ।
আরও পড়ুন ঃ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
যেভাবে আসবেন যেমন খরচ
আপনি যদি উত্তরা গণভবন আসতে চান এখানে আসা খুব সহজ ,যেখান থেকেই আসেন নাটোর শহরে এসে নামবেন । নাটোর শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে খুব সুন্দর মনোরম পরিবেশে অবস্থিত । উত্তরা গণভবনের গেট সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে । এখানে ঢুকতে আপনাকে ২০ টাকা দিয়ে একটি টিকিট কিনতে হবে । এখানে এলে সকাল সকাল আসবেন দেখতে দেখতে কখন সময় চলে যাবে বুঝতেই পারবেন না ।
আরো পড়ুন ঃ নাটোর রানী ভবানী রাজবাড়ি
গণভবনের বর্ণনা
উত্তরা গণভবন এর সামনে রয়েছে একটি বড় প্রবেশ দার আর প্রবেশ দ্বারের ওপরে রয়েছে বিশাল বড় একটি ঘড়ি । আগের মানুষের কাছে সোনা যায় এই ঘড়ির শব্দ অনেক দূর থেকে শোনা যেত । ভিতরে ঢুকতেই দেখতে পাবেন এক অনন্য সুন্দর মনোমুগ্ধকর পরিবেশ । আপনার মন ভরে যাবে এই সৌন্দর্য দেখে । উত্তরা গনভবন তথা দিঘাপতিয়া রাজ বাড়ির পরিবেশ খুব ভালো যেকোনো বয়সের মানুষ এখানে আসলে মুগ্ধ হবে । বাহারি রঙের ফুলে সাজানো এই রাজবাড়ি চার দিকে শুধু ফুল ,সবুজ ঘাস অনেক সুন্দর না দেখলে বুঝতে পারবেন না ।
জাদুঘর
দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি পুরোটাই বিশাল এক প্রাচীর দিয়ে ঘেরা । এই উত্তরা গণভবনের ভিতরে রয়েছে ছোট বড় ৬ টা দিঘি ,রয়েছে একটি জাদুঘর আর এই জাদুঘরে রয়েছে তৎকালীন রাজা জমিদারদের ব্যবহৃত সব জিনিস পত্র ।তারা যেই জিনিস পত্র ব্যবহার করতো সেসব ওখানে রাখা আছে সৃতি হিসেবে ।
চিড়িয়াখানা
আরও পড়ুন ঃ আমার জীবনের লক্ষ্য রচনা
উত্তরা গণভবনের ভিতরে রয়েছে শিশুদের আনন্দ দেওয়ার জন্য একটি ছোট চিড়িয়াখানা । চিড়িয়াখানায় রয়েছে হরিণ ,বানর এমন অনেক যা শিশুদের অনেক আনন্দ দেবে । আরও আছে একটি পাখি পালনের জায়গা সব মিলিয়ে আপনাদের খুব ভালো লাগবে এখানে আসলে ।
আমার শেষ কথা
বিশাল প্রাচিরে ঘের, ফুলে ফুলে সাজান, বড় বড় মহল , জাদুঘর ,চিড়িয়াখানা সব কিছু মিলিয়ে অপরুপ রুপে সাজানো রয়েছে এই উত্তরা গণভবন । আপনি যদি আসেন অবশই ভাল লাগবে । কিন্তু আসতে হবে সকাল সকাল দেখতে দেখতে কখন সময় চলে যাবে বুঝতেই পারবেন না । উত্তরা গণভবন নিয়ে আপনাদের মাঝে অল্প কিছু তুলে ধরলাম বাকিটা এখানে এসে দেখে যাবেন
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url